শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৭:৫৪ পিএম, ২০২৫-১২-১৭
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আমাদের হাইকমিশনকে নাকি ভারত ডেকে ধমক দিয়েছে। কেন আমরা ওই কথা বলেছি। ভারতীয় হাই কমিশনারকে ওই খুনি হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য শুধু ধমক না, লাথি দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত ছিল।
তিনি বলেন, আপনি আমার দেশের সন্ত্রাসকে পেলেপুষে বড় করবেন, তাদেরকে ট্রেনিং দেবেন, অর্থ দেবেন। অন্তত ৩০ হাজার আওয়ামী লীগের কর্মী ভিসা এবং পাসপোর্ট ছাড়া ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। তো আপনি আমার দেশের সন্ত্রাস পালবেন, বাংলাদেশ বিরক্তিকর করে রাখবেন। আর আমি আপনার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখবো? এতো ঠ্যাকা পড়ে নাই।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফুলতলী এলাকায় উঠান বৈঠকে যোগ দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ভারতের সন্ত্রাসীগুলো কয়দিন পরপর আমাদের দেশে ছেড়ে দেয়। বাংলাদেশের সন্ত্রাসীগুলো ভারত আবার পাহারা দেয়, ট্রেনিং দেয়, অর্থ দেয়। অনেক দিন পরপর আমাদের দেশে ছাড়ে। আমাদের দেশে এসে দুষ্কর্ম করে। তাদেরকে বারবার করে বলা হয়েছে শোনে না। তো যেহেতু শোনে না এখন আমাদের সন্ত্রাসী যদি থেকে থাকে, যদি আমরা বলি যে আপনাদের দেশের সন্ত্রাসীগুলো আমরা বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে টাকা-পয়সা দিয়ে ট্রেনিং দেব, আপনার যদি সেটা বন্ধ না করেন এটা কি আমাদের অপরাধ?
তিনি বলেন, সম্পর্ক হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে। আপনি সন্ত্রাস ছাড়বেন, আপনার সার্বভৌমত্ব আমরা সম্মান করব। আপনার সীমান্তের প্রতি আমাদের সম্মান থাকবে। শর্ত হলো আমার সীমান্তকে আপনি সম্মান করতে হবে। আপনি যদি দেখামাত্রই গুলি মারা পলিসিতে বিশ্বাস করেন, আমি কেন আপনাকে দেখামাত্রই সালাম দেওয়া নীতিতে থাকব? আপনি যদি আমাকে দেখামাত্রই গুলি করতে পারেন, আমি আপনাকে দেখামাত্রই গুলি না করতে পারি, অন্তত ঢিল ছুঁড়ে হলেও প্রতিবাদ করব।
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমাদের বাসায় বাসায় ডিস এন্টেনা ঢুকিয়ে, এই ভারতীয় সংস্কৃতি ঢুকিয়ে আমাদেরকে এটা বুঝিয়েছে যে ভারতের ওপর নির্ভর করে থাকতে হবে। কিন্তু আমাদেরকে আত্মনির্ভর হতে হবে। এখানেই তরুণ প্রজন্ম যারা আছেন, আমাদের পূর্বের প্রজন্ম লড়াই আর করবে না। তারা ফোনে যোগাযোগ রাখে, ওপেনে রাখে না। তার মানে তাদের সাহস যেটা বোঝার বুঝে গেছে। কারণ তাদের হিসাব কিতাব আছে অনেক কিছু।
তিনি আরও বলেন, ইন্ডিয়া নামে একটা ঠাকুর আছে। এটা বেজার হবে বলেই আমার দেশের অনেক রাজনীতিবিদ মুখে তালা দিয়ে রাখে। কিন্তু আমরা মুখে তালা দিয়ে রাখবো না। এই মাটি আমাদের, স্বাধীনতা আমাদের, সার্বভৌমত্ব আমাদের।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আওয়ামী লীগের সময় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ছিল স্বামী এবং স্ত্রীর সম্পর্কের মতো। এখন ভারত এটাকে মেনে উঠতে পারছে না- হঠাৎ করে তাদের মুখোমুখি আমরা দাঁড়িয়েছি। সম্পর্ক হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে। আপনি আমাকে সম্মান দেবেন, আমি আপনাকে সম্মান দেব। আমি আপনাকে শুধু ফুল দিয়ে যাব, আর আপনি আমাকে ফেলানীর মত কাঁটা তারে ঝুলিয়ে রাখবেন, ওই ধরনের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আর বাংলাদেশে থাকবে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুসলমানদেরকে বছরের পর বছর জঙ্গি হিসেবে ভারতে ট্রিট করা হয়েছে। যারাই ভারত বিরোধিতা করেছে, তাদেরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সেই সিরিয়ালে আমার ভাই হাদি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আমাদেরকে টার্গেট করেছে। তো কী হবে? কিছুই হবে না। আমি যদি মারা যাই এমন অনেক মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাবে। আমাদের ইনসাফের লড়াই আমাদের আজাদির যে সিলসিলা এটা অব্যাহত থাকবে।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির দেবিদ্বার উপজেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited