শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৯:০১ পিএম, ২০২৫-১২-২১
যশোর ব্যুরো :
যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এসএ শাখার হেড ক্লার্ক (বড় বাবু) আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ঘুষ ছাড়া তার টেবিল থেকে কোনো ফাইল নড়ে না। বছরের পর বছর একই শাখায় দায়িত্ব পালন করে তিনি এসএ শাখাকে কার্যত ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছেন বলে দাবি করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।
সূত্র জানায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়, সায়রাত ও জলমহাল, হাট-বাজার ইজারা, ১/১ খতিয়ানের জমি, এপি-ভিপি সম্পত্তি সংক্রান্ত কাজে আগত সাধারণ সেবাগ্রহীতা থেকে শুরু করে ভূমি শাখায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, তাকে ম্যানেজ না করলে কোনো কাজই সফল হয়না।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি ইতোমধ্যে নবাগত জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও আরডিসির নজরে এসেছে।
সূত্র অনুযায়ী, আবুল হোসেন দীর্ঘদিন মনিরামপুর উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন। সে সময় সরকারি খাস জমি, সায়রাত মহল, জলমহাল, হাট-বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালে নানা কৌশলে বিপুল অর্থের মালিক হন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বদলি হয়ে এসএ শাখায় পদায়িত হন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই হেড ক্লার্ক পদে অধিষ্ঠিত হন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বিগত দুই জেলা প্রশাসকের মেয়াদকালে সায়রাত মহল, জলমহাল এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত নায়েব, সহকারী নায়েব, অফিস সহকারী ও পিয়নদের বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বদলি তালিকা প্রকাশের আগেই তথ্য ফাঁস করে সুবিধাজনক স্থানে বদলির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
একাধিক সূত্র দাবি করেছে, একটি বদলি তালিকার মাধ্যমে ৭৬ জন পিয়নের কাছ থেকে মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকা করে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা আদায় করা হয়। কাঙ্ক্ষিত স্থানে বদলি না হওয়ায় অনেকেই টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিচ্ছেন বলেও জানা গেছে।
এদিকে, সম্প্রতি জেলা প্রশাসক ও এডিসি (রাজস্ব) পদে রদবদলের পর নতুন করে বদলির আলোচনা শুরু হওয়ায় এসএ শাখাকে কেন্দ্র করে তদবির তৎপরতা আবারও বেড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অফিস সময়ের বাইরে এমনকি ছুটির দিনেও কালেক্টরেট ও শহরের বিভিন্ন স্থানে এসব তদবির ও লেনদেন চলছে।
এছাড়া জমির শ্রেণি পরিবর্তন, লিজ নবায়ন, খাজনা জটিলতা, তদন্ত প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন কাজে ফাইল আটকে রেখে ঘুষ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
উল্লেখ্য, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি দায়িত্ব পালনকারীদের বদলির কথা থাকলেও এসএ শাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দীর্ঘদিন একই পদে দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ভুক্তভোগীরা আশা করছেন, নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান ও এডিসি (রাজস্ব) কমলেশ মজুমদার এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং দীর্ঘদিন বঞ্চিত কর্মচারীদের ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করবেন।#
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited