শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ১২:৫০ পিএম, ২০২৬-০১-১৯
অলসতা মানবজীবনের নীরব অভিশাপ। এটি ব্যক্তির সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করে দেয়, থামিয়ে দেয় উন্নতির গতি। দীর্ঘদিন অলসতায় অভ্যস্ত থাকলে শুধু কাজের প্রতি অনীহাই নয়, ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও। ফলে মানসিক ও শারীরিক, উভয় দিক থেকেই ব্যক্তি চলে যায় অবক্ষয়ের পথে।
তবে চাইলে কিছু সহজ অভ্যাসের মাধ্যমে অলসতাকে জয় করে গড়ে তোলা যায় কর্মচঞ্চল ও ইতিবাচক জীবন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অলসতা দূর করতে প্রথমেই প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুম শরীর ও মনকে রাখে সতেজ। ঘুম থেকে উঠে মুখে প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়ার অভ্যাস শরীরে এনে দেয় তাৎক্ষণিক সজীবতা।
নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম অলসতা দূর করার অন্যতম কার্যকর উপায়। প্রতিদিন ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা হাঁটা, দৌড় বা হালকা ব্যায়াম শরীরকে চাঙ্গা রাখে এবং কাজে মনোযোগ বাড়ায়। পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসও হতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত। সবুজ শাক-সবজি, ফলমূল ও আঁশজাতীয় খাবার বেশি খেলে শরীর থাকে হালকা ও কর্মক্ষম।
এ ক্ষেত্রে তৈলাক্ত ও ভারী খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।
নিজের বাড়ি ও কর্মক্ষেত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা মানসিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশে কাজের আগ্রহ বাড়ে এবং কর্মোদ্যম তৈরি হয়। একই সঙ্গে প্রতিদিনের শুরুটা হওয়া উচিত ইতিবাচক মনোভাব দিয়ে। নিজেকে বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে, ‘আমি পারবো।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, অনুপ্রেরণামূলক গান বা সুর শোনা মনকে রাখে ফুরফুরে। একঘেয়ে পরিবেশ ভাঙতে ঘরের ভেতর সবুজ গাছ, প্রিয় ছবি বা শোপিস সাজানো যেতে পারে। এতে কাজের পরিবেশ হয় প্রাণবন্ত।
অলসতা কাটাতে ইতিবাচক মানুষের সঙ্গও গুরুত্বপূর্ণ। যারা সব সময় সাহস, অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসা ছড়িয়ে দেন, তাদের সান্নিধ্যে থাকলে নিজের মধ্যেও তৈরি হয় কাজের শক্তি। পাশাপাশি যেকোনো বিষয় সহজভাবে ভাবার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সহজ চিন্তা ও সহজ সমাধানই অনেক সময় সাফল্যের পথ দেখায়।
কাজের ক্ষেত্রে কর্মতালিকা প্রণয়ন অত্যন্ত কার্যকর। কোন কাজটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সেটি আগে নির্ধারণ করে নেওয়া উচিত। সহজ কাজ দিয়ে শুরু করলে ধীরে ধীরে কঠিন কাজেও আগ্রহ তৈরি হয়। বড় লক্ষ্যকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নিলে কাজটি আর কঠিন মনে হয় না।
সময় ব্যবস্থাপনাও অলসতা দূর করার বড় হাতিয়ার। প্রতিটি কাজের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে এবং এক কাজের সময় অন্য কাজে মনোযোগ নষ্ট করা যাবে না। অবসর সময়েও এমন কাজে যুক্ত থাকা ভালো, যা অনুপ্রেরণা জোগায়, যেমন বই পড়া, লেখালিখি বা ছবি আঁকা।
সবশেষে বলা যায়, অলসতা কোনো জন্মগত বৈশিষ্ট্য নয়, এটি একটি অভ্যাস। আর অভ্যাস বদলানো সম্ভব। সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত চর্চা ও ইতিবাচক মানসিকতাই পারে অলস জীবনকে বদলে দিতে কর্মমুখর ও সফল জীবনে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বর্ষার মৌসুমে ত্বকের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন হয়। এ সময় খুব ঝঞ্ঝাটে ফেলে— কখনো শুষ্ক, আবার কখনো তেলতেল...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা কর্মপরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তোলে। তবে সেই ঠাট্টা যদি বারবার ব্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শুধু ক্যালরি গণনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবা...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : পরিবারে কারো ডায়াবেটিস থাকলে সন্তানেরও এই রোগ হবে কিনা—তা নিয়ে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার শেষ থাকে ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) ভালো রাখতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সুষম খাবার রাখা জরুরি। ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বর্তমান প্রজন্মের তরুণরা পূর্ববর্তী প্রজন্মের তুলনায় দ্রুত ‘জৈবিক’ বা শারীরিকভাবে বৃদ্ধ হয়ে ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited