শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৫:১৯ পিএম, ২০২৫-১২-২৩
নামাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত হলো অজু করা। অজুতে বেশ কিছু ফরজ ও সুন্নত কাজ আছে। ফরজগুলোর মধ্যে একটি হলো মাথা মাসেহ। অজুর সময় নারীরা কীভাবে মাথা মাসেহ করবেন, চুল এলোমেলো হলে কী করবেন, পুরুষদের পদ্ধতির সঙ্গে তাদের কোনো পার্থক্য আছে কি না? এ বিষয়ে হাদিস ও প্রখ্যাত ফকিহদের মতামতের আলোকে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হলো।
নারীদের জন্য উত্তম পদ্ধতি কী?
আলেমদের মতে, নারীদের জন্য উত্তম ও সহজ পদ্ধতি হলো মাথার উপরের অংশ থেকে শুরু করে পেছনের দিক পর্যন্ত একবারে মাসেহ করা। এতে চুল এলোমেলো হয় না এবং সুন্নতও আদায় হয়। এই পদ্ধতিটি সেই নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যাদের চুল লম্বা। এমনকি যেসব পুরুষের চুল লম্বা, তাদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য বলে উল্লেখ করেছেন আলেমরা।
হাদিসের আলোকে
এই বিষয়ে হজরত রুবাইয়ি বিনতে মুয়াওয়িজ (রা.)–এর বর্ণিত হাদিসকে মূল দলিল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) তার ঘরে অজু করেছিলেন এবং মাথার উপরের অংশ থেকে পেছনের দিক পর্যন্ত পুরো মাথায় মাসেহ করেছিলেন। এ সময় তিনি চুল এলোমেলো করেননি। হাদিসের আলোকে আলেমদের ব্যাখ্যা হলো, মাথার ওপর থেকে নিচের দিকে হাত চালিয়ে মাসেহ করতে হবে।
বিকল্প পদ্ধতি ও সতর্কতা
আরেকটি পরিচিত পদ্ধতি হলো, দুই হাত দিয়ে কপালের দিক থেকে পেছনে নিয়ে যাওয়া এবং পরে আবার সামনে ফিরিয়ে আনা। তবে এই পদ্ধতিতে অনেক সময় চুল এলোমেলো হয়ে যায়। এ কারণে নারীদের জন্য এই পদ্ধতি অনুসরণ না করাই উত্তম। বরং সামনে থেকে পেছনে একবার হাত চালিয়ে নেওয়াই যথেষ্ট, হাত আবার সামনে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজন নেই। প্রখ্যাত ফকিহ ইবনে কুদামা তার গ্রন্থ আল-মুগনিতে বলেন, কারো যদি আশঙ্কা থাকে যে হাত ফিরিয়ে আনলে চুল এলোমেলো হয়ে যাবে, তাহলে সে ক্ষেত্রে হাত ফিরিয়ে না আনলেও সমস্যা নেই। ইমাম আহমদ (রহ.)–ও এই মতকে সমর্থন করেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে ইমাম আহমদ নিজে হাতে দেখিয়ে বলেন, যার চুল কাঁধ পর্যন্ত লম্বা, সে পেছনের দিকে একবার হাত চালাবে, সামনে আর ফিরিয়ে আনবে না, যাতে চুল অগোছালো না হয়।
নারীদের জন্য সংক্ষিপ্ত নির্দেশনা
অজুর সময় মাথা মাসেহের ক্ষেত্রে আলেমদের মূল কথা হলো, নারীরা মাথার মাঝখান বা উপরের অংশ থেকে পেছনের দিকে হাত চালিয়ে মাসেহ করবেন। চাইলে সামান্য সামনে এনে আবার পেছনের দিকে নিতে পারেন, তবে চুল এলোমেলো হওয়ার আশঙ্কা থাকলে একবারেই পেছন পর্যন্ত মাসেহ করাই উত্তম। এভাবে মাসেহ করলে সুন্নাহ অনুসরণ হয় এবং অযথা কষ্টও এড়ানো যায়।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মুহাম্মদ কিফায়তুল্লাহ শফীক ১. অবতরণিকা : সময়ের মহাপ্রবাহে কত নাম উচ্চারিত হয়, কত নামই বা কালের...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : হাফেজ মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন (এম এ কামিল) পবিত্র মাস রবিউল আউয়াল " সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মহামানব রাসূ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মানুষের প্রকৃত চরিত্র প্রকাশ পায় তার নিজের পরিবারের সঙ্গে আচরণে। বাইরের মানুষের কাছে ভদ্র ও হাস...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মানুষ সাধারণত মনে করে, কিয়ামতের দিন সবচেয়ে ভারী আমল হবে বেশি বেশি নফল নামাজ, রোজা বা দান-সদকা। নিঃ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : জীবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শিক্ষক। এখানে প্রতিটি সম্পর্ক একটি পাঠ, প্রতিটি কষ্ট একটি উপলব্ধি, প্রতি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মানুষের সমাজে কেউ ধন-সম্পদ, ক্ষমতা বা খ্যাতির কারণে সম্মানিত হয়, আবার কেউ নীরবে ও অপ্রকাশ্যে জীবন য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited