শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ১১:০২ পিএম, ২০২৬-০৫-১৯
এস এম মেহেদী হাসান:
২০ মে বিশ্ব মৌমাছি দিবস। পৃথিবীর অসংখ্য মানুষের কাছে মৌমাছি হয়তো একটি ক্ষুদ্র পোকা, যার কাজ শুধু মধু সংগ্রহ করা। কিন্তু কৃষি বিজ্ঞানী ও পরিবেশবিদরা বলছেন, এই ছোট্ট প্রাণীটির অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন, জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশের ভবিষ্যৎ।
তাই আজ প্রশ্ন উঠছে, যদি পৃথিবী থেকে মৌমাছি হারিয়ে যায়, তাহলে কী ঘটবে?
বিশ্বজুড়ে ২০ মে বিশ্ব মৌমাছি দিবস পালিত হচ্ছে মৌমাছি এবং অন্যান্য পরাগবাহী প্রাণীর গুরুত্ব তুলে ধরতে।
জাতিসংঘ ২০১৮ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন করছে। এর উদ্দেশ্য হলো মানুষকে সচেতন করা যে পৃথিবীর পরিবেশ ও খাদ্যব্যবস্থার অদৃশ্য ভিত্তি হিসেবে মৌমাছি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মৌমাছি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে পরিচিত ধারণা হলো মধু উৎপাদন। কিন্তু বাস্তবে মধুউৎপাদনের চেয়েও তাদের বড় দায়িত্ব হচ্ছে পরাগায়ন। উদ্ভিদের পুরুষ ফুল থেকে স্ত্রী ফুলে পরাগ স্থানান্তরের মাধ্যমে ফল, শস্য ও বীজ
উৎপাদনে সহায়তা করে মৌমাছি। কৃষি গবেষণাগুলো বলছে, বিশ্বের প্রায় ৭৫ শতাংশ খাদ্যশস্যের উৎপাদন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পরাগায়নের ওপর নির্ভরশীল।
অর্থাৎ পৃথিবীর খাদ্যব্যবস্থার একটি বড় অংশ দাঁড়িয়ে আছে এমন এক প্রাণীর ওপর, যাকে মানুষ অনেক সময় গুরুত্বই দেয় না। বাংলাদেশের মতো কৃষিনির্ভর দেশে ফল, সবজি, তেলবীজ, মসলা এবং বহু অর্থকরী ফসলের উৎপাদনের সঙ্গে মৌমাছি অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান বলছেন, মানুষ মৌমাছির গুরুত্বকে এখনো পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেনি।
তিনি বলেন, "অনেকেই মনে করেন মৌমাছির মূল কাজ মধু উৎপাদন করা। বাস্তবে বিষয়টি তার চেয়ে অনেক বড়।
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে মৌমাছি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিশেষ করে ফল ও সবজি জাতীয় ফসলের ক্ষেত্রে পরাগায়নের মাধ্যমে উৎপাদনের পরিমাণ এবং গুণগত মান উভয়ই বৃদ্ধি পায়।"
তিনি আরও বলেন, "পৃথিবীতে মানুষ খাদ্য হিসেবে যেসব উদ্ভিদ ব্যবহার করে, তার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে পরাগায়নের ওপর নির্ভরশীল। আর এই পরাগায়নের বড় অংশই সম্পন্ন করে মৌমাছি। তাই মৌমাছি কমে যাওয়া মানে শুধু একটি পোকা কমে যাওয়া নয়, বরং খাদ্যব্যবস্থার ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি হওয়া।"
বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌমাছি হারিয়ে গেলে পৃথিবী একদিনে ধ্বংস হয়ে যাবে এমন নয়। কিন্তু ধীরে ধীরে তার ভয়াবহ প্রভাব দৃশ্যমান হতে শুরু করবে।
প্রথম ধাক্কা আসবে কৃষিতে। অনেক ফল ও সবজির উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। আপেল, আম, লিচু, তরমুজ, সরিষা, সূর্যমুখী, শসা, কুমড়া, টমেটোসহ বহু ফসলের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এর ফলে শুধু খাদ্যসংকট নয়, খাদ্যের দামও বৃদ্ধি পেতে পারে। কৃষকের আয় কমে যেতে পারে, একই সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান এ বিষয়ে বলেন, "মৌমাছির সংখ্যা কমে গেলে কৃষির ওপর তার সরাসরি প্রভাব পড়বে। অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদন কমে যেতে পারে। কৃষক হয়তো জমিতে পর্যাপ্ত পরিচর্যা করবেন, কিন্তু প্রত্যাশিত ফলন পাওয়া যাবে না। কারণ প্রকৃতির এই অদৃশ্য কর্মীরা তখন আর তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।"
তিনি সতর্ক করে বলেন, "বর্তমানে আমাদের দেশে নির্বিচারে কীটনাশক ব্যবহারের প্রবণতা উদ্বেগজনক। কৃষকরা অনেক সময় নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক ব্যবহার করেন, কিংবা ফুল ফোটার সময়ও স্প্রে করে থাকেন।
এতে ক্ষতিকর পোকার পাশাপাশি উপকারী পোকামাকড়ও মারা যায়। মৌমাছি এর বড় শিকার।"
বিশ্বজুড়ে মৌমাছির সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণকে দায়ী করছেন গবেষকরা। অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার, বন উজাড়, নগরায়ণ, পরিবেশ দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংস এর মধ্যে অন্যতম।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মৌমাছির জীবনচক্রও প্রভাবিত হচ্ছে। তাপমাত্রার পরিবর্তন এবং ঋতুচক্রের অস্বাভাবিকতা ফুল ফোটার সময়কে পরিবর্তন করছে। ফলে মৌমাছি এবং উদ্ভিদের মধ্যে প্রাকৃতিক সমন্বয় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান মনে করেন, শুধু সরকার নয়, সাধারণ মানুষেরও ভূমিকা রয়েছে।
তিনি বলেন, "মৌমাছিকে রক্ষা করতে হলে আমাদের চিন্তার পরিবর্তন প্রয়োজন। প্রকৃতির সঙ্গে সংঘাত নয়, সহাবস্থান তৈরি করতে হবে। কৃষক, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "সরিষা বা সূর্যমুখী চাষকৃত জমিতে মৌ বাক্স স্থাপন করলে সরিষার ফলন প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। মৌমাছির খাদ্য সংগ্রহের জন্য বছরব্যাপী শুধুমাত্র ধান চাষ না করে ফুল উৎপাদনকারী তৈলবীজ, যেমন সরিষা
ও সূর্যমুখী চাষ সম্প্রসারণ করতে হবে। পাশাপাশি বসতবাড়িতে বছরব্যাপী ফল উৎপাদন কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে।"
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) জাতীয় পরিষদের সদস্য আ স ম সালেহ সুহেল বলেন, "মৌমাছি যে মধু সংগ্রহ করে, তা আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে। তাই মৌমাছিকে বাঁচিয়ে রাখা এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয়
পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বর্তমানে অনেকেই সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করছেন। তবে সুন্দরবনের মৌয়ালীরা যে মধু সংগ্রহ করেন, তার গুণগত মান আরও উন্নত। আমরা মনে করি, সুন্দরবনের মৌমাছির আবাস ও পরিবেশ রক্ষা করা অত্যন্তজরুরি।"
তিনি আরও বলেন, "মৌমাছি বিলুপ্ত হলে খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মৌমাছির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এখন থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। কৃষিতে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতির ব্যবহার বাড়াতে হবে। রাসায়নিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং
ফুলগাছ রোপণের মতো উদ্যোগ নিতে হবে।
বাংলাদেশে মৌমাছির উপস্থিতি এবং অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিয়েও গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএসআরআই) কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. নুর আলম বলেন, "বাংলাদেশে বর্তমানে চার প্রজাতির মৌমাছি রয়েছে। এগুলো হলো(Apis dorsata), এপিস মেলিফেরা (Apis mellifera), এপিস সেরানা (Apis cerana) এবং ট্রাইগোনা (Trigona)। এর মধ্যে এপিস ডরসাটা আকারে বড় এবং এপিস মেলিফেরা গৃহপালিত মৌমাছি হিসেবে পরিচিত।"
তিনি বলেন, "বাংলাদেশে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৫ হাজার মৌখামারি রয়েছেন। প্রতিটি বাক্সে সাধারণত ১০টি ফ্রেম থাকে এবং একটি বাক্সে লক্ষাধিক মৌমাছি থাকতে পারে। প্রতিটি বাক্স থেকে গড়ে ২৫ থেকে ৩৫ কেজি পর্যন্ত মধুসংগ্রহ করা সম্ভব হয়।"
তবে মৌচাষ শিল্পও নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে বলে জানান তিনি। ড. নুর আলম বলেন, "মে থেকে সেপ্টেম্বর
পর্যন্তসময়কে সাধারণত মৌমাছির সংকটকাল হিসেবে ধরা হয়। এ সময় পর্যাপ্ত ফুল ও খাদ্যের অভাব দেখা দেয়।
খাদ্যসংকট তৈরি হলে রানী মৌমাছি ডিম দেওয়া কমিয়ে দেয় অথবা অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ করে দেয়। এর ফলে মৌমাছির সংখ্যা বৃদ্ধিও ব্যাহত হয়।"
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন এ সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।
অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, দীর্ঘ খরা এবং ঋতুচক্রের পরিবর্তনের কারণে ফুল ফোটার স্বাভাবিক সময়ও পরিবর্তিত হচ্ছে। ফলে মৌমাছির খাদ্য সংগ্রহ এবং জীবনচক্রেও প্রভাব পড়ছে।
মাঠ পর্যায়ে মৌমাছির ভূমিকা নিয়ে কথা বলেছেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, মৌলভীবাজারের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা
(কীটতত্ত্ব) মো. সারোয়ার জাহান শাওন। তিনি বলেন, "মৌমাছি প্রকৃতির অত্যন্তকার্যকর পরাগবাহী পোকা। কৃষিতে এর অবদান অনেক সময় সরাসরি চোখে না পড়লেও বাস্তবে এটি ফসল উৎপাদনের অন্যতম প্রধান সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। সরিষা, বিভিন্ন ফলমূল, সবজি এবং অর্থকরী ফসলের উৎপাদনে মৌমাছির ভূমিকা অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। মাঠ পর্যায়ে দেখা যায়, যেখানে পরাগবাহী পোকামাকড়ের উপস্থিতি বেশি থাকে, সেখানে ফলন ও ফলের গুণগত মানও তুলনামূলক ভালো হয়।"
তিনি আরও বলেন, "বর্তমানে কৃষিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক নির্ভরতা এবং অপরিকল্পিত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে উপকারী পোকামাকড়ের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে আমাদের কৃষিব্যবস্থাকে আরও পরিবেশবান্ধব করার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।"
মৌমাছি শুধু কৃষির সঙ্গে নয়, বৃহত্তর পরিবেশগত ভারসাম্যের সঙ্গেও জড়িত বলে মনে করেন পরিবেশকর্মীরা।
হাওরাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন হাওর রক্ষা আন্দোলন, মৌলভীবাজার শাখার সদস্য সচিব এম. খছরু চৌধুরী।
তিনি বলেন, "হাওরাঞ্চল শুধু জলাভূমি নয়, এটি একটি জীবন্তবাস্তুতন্ত্র। এখানে অসংখ্য উদ্ভিদ, পাখি, মাছ এবং ক্ষুদ্র প্রাণীর মধ্যে একটি পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। মৌমাছিও এই জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মৌমাছির সংখ্যা কমে গেলে এর প্রভাব শুধু কৃষিতে নয়, পুরো পরিবেশ ব্যবস্থায় পড়বে।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা উন্নয়নের কথা বলি, কিন্তু প্রকৃতিকে বাদ দিয়ে উন্নয়ন কখনো টেকসই হতে পারে না।
বনভূমি রক্ষা, প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে মৌমাছিসহ উপকারী প্রাণীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।"
মৌমাছির গুরুত্ব শুধু বিজ্ঞান ও পরিবেশের আলোচনায় নয়, ইসলামেও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মিশকাতুল কোরআন মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা শেখ সাদ আহমদ আমিন বর্ণভী বলেন, "পবিত্র কোরআনের সূরা আন-নাহলে মৌমাছির বিষয়ে আলাদা আলোচনা রয়েছে। সেখানে আল্লাহ তায়ালা মৌমাছির প্রতি ওহির কথা উল্লেখ করেছেন এবং মানুষের জন্য এর উৎপাদিত মধুর মধ্যে আরোগ্যের বিষয়ও তুলে ধরেছেন। এটি প্রমাণ করে, ইসলামে মৌমাছিকে শুধু একটি প্রাণী হিসেবে নয়, বরং আল্লাহর নিদর্শনগুলোর একটি হিসেবেও দেখা হয়।"
তিনি আরও বলেন, "হাদিসে প্রাণী ও প্রকৃতির প্রতি দয়া ও দায়িত্বশীল আচরণের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। ইসলাম মানুষকে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানায়। তাই মৌমাছিসহ উপকারী প্রাণীদের সংরক্ষণ করা শুধু পরিবেশগত দায়িত্ব নয়, ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্বও।"
বিশ্ব মৌমাছি দিবসে তাই বার্তাটি শুধু একটি প্রাণীকে বাঁচানোর নয়। এটি প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী রেখে যাওয়ারও বার্তা।
পৃথিবীর সবচেয়ে পরিশ্রমী এবং নীরব শ্রমিকদের অন্যতম মৌমাছি হয়তো কখনো মানুষের কাছে কিছু দাবি করে না।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, মানুষ প্রতিদিন তাদের ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে। তাই প্রশ্নটি আজ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মৌমাছি হারালে কী হবে পৃথিবীর?
হয়তো উত্তরটি খুব সহজ: মৌমাছি হারালে মানুষও হারাবে তার নিরাপদ ভবিষ্যতের একটি বড় ভিত্তি।
লেখক: এস এম মেহেদী হাসান, সদস্য আহ্বায়ক কমিটি, বাংলাদেশ রিপোর্টার কাউন্সিল (বিআরসি), সাধারণ সম্পাদক- প্রবাসী স্বজন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited