শিরোনাম
জামালপুর প্রতিনিধি : | ০১:০৮ পিএম, ২০২৫-০১-০৪
জামালপুরে প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে দেখা দেয় বিশুদ্ধ পানির সংকট। গভীর নলকূপে পর্যাপ্ত পানি না ওঠায় সেই চাহিদা মেটাতে জনস্বাস্থ্যের স্থায়ী পরিকল্পনায় পৌরসভায় নির্মাণ করা হয় পানি শোধনাগার ও ট্যাংক।
কিন্তু পৌরসভার দায়িত্বহীনতায় আজও আলো দেখেনি প্রকল্পগুলো। দীর্ঘ দিন পড়ে থাকায় নষ্ট হচ্ছে দামি যন্ত্রাংশ। পৌরসভা বলছে, পানি সরবরাহ সংযোগ কম থাকায় চালু হচ্ছে না প্রকল্পগুলো। আর বিগত মেয়রদের দোষারোপ করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের নির্বাহী কর্মকর্তা।
জনস্বাস্থ্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরবাসীর সুপেয় পানির চাহিদা মেটাতে ২০১৮ সালে জামালপুর পৌরসভার বগাবাইদ বোর্ডঘরে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা হয় পানি শোধনাগার একই স্থানেই তিন কোটি চার লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২১ সালের পানির ট্যাংক নির্মাণ করা হয়। দুই প্রকল্পই ২০২১ সালে পৌরসভার কাছে হস্তান্তরের পর কার্যত একবারের জন্যও চালু হয়নি। এতে পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে দামি যন্ত্রাংশগুলো। পৌরসভার অবহেলায় এ পানির ট্যাংক ও পানি শোধনাগার থেকে কোনো সুফল পাচ্ছে না পৌরবাসী।
মিজানুর রহমান নামে এক বাসিন্দা বলেন, ৪ বছর ধরে দেখছি এ দুটির কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু একবারের জন্যও চালু হয়নি। মাঝখানে উদ্বোধনও হয়েছে।
সাইফুল আলম শুভর বাড়ি বগাবাইদ বোর্ডঘর এলাকায়। দীর্ঘদিন হলো তার বাড়িতেও পানির লাইন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো সুবিধা পাচ্ছে না তার পরিবার।
তিনি বলেন, তিন চার বছর আগে আমাদের বাড়িতে পানির লাইন করে দিয়ে গেছে। কিন্তু একবারের জন্যও পানি আসেনি। সরকারের টাকা খরচ করে এটা করে লাভ কি হয়েছে। যদি না চলে।
আরেক বাসিন্দা নজরুল বলেন, মেয়র ছানুসহ আওয়ামী লীগের নেতারা শুধু টাকা মেরে খাওয়ার জন্য এমন কাজ করেছে। তা-না হলে আমরা যারা সাধারণ মানুষ আছি সবাই এর সুবিধা ভোগ করতে পারতাম।
এ পানির ট্যাংক ও শোধনাগার চালুর দাবি জানান তিনি।
জামালপুর পৌরসভা সহকারী প্রকৌশলী (পানি) মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, পানি সাপ্লাইয়ের সংযোগ কম থাকাসহ নানা সমস্যার কারণে চালু করা যাচ্ছে না মেশিনগুলো। তাই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
তবে জামালপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সুলতান মাহমুদ বলেন, জামালপুরে বিভিন্ন সময় প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বেশি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে এ পানি শোধনাগার ও পানির ট্যাংক। এ দুটি হস্তান্তরের পরও বন্ধ হয়ে পড়ে থাকার জন্য বিগত মেয়ররাই দায়ী। তাদের কয়েকবার বলার পরও এটি চালু করেননি। বর্তমানে পৌর প্রশাসককে বিষয়টি জানানো হয়েছে ।
প্রতি ঘণ্টায় ৩৫০ ঘন মিটার ক্ষমতা সম্পন্ন পানি শোধনাগার এবং ৬৮০ কিউবিক মিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পানির ট্যাংক চালু হলে প্রতিদিন দুই লাখ ২০ হাজার লিটার পানির চাহিদা মিটবে পৌরবাসীর।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ নাজিম উদ্দীন হাটহাজারী : ৩/১১/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (১৮ই কার্তিক) রোজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ম্যানেজমেন্ট ইনফর...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক, সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ৫ নং খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের পাঁচিল ও...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : টেকনাফ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়ে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক,সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের চন্দ্রকণায় অগ্নিকাণ্ডে ভà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited