শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৪:৪৮ পিএম, ২০২৫-১২-০১
সরিষাবাড়ী জামালপুুর :
যন্ত্রনায় সারাক্ষন চিৎকার করছে বিশাল আকৃতির মাথা নিয়ে জন্মানো ৪ বছরের ছোট্ট শিশু মুসলিমা। জন্মের পর থেকেই শরীরের তুলনায় মাথা অস্বাভাবিক বড় নিয়ে পৃথিবীতে আসে শিশু মুসলিমা আক্তার। দরিদ্র পরিবারের পক্ষে তার চিকিৎসা করানো সম্ভব না হওয়ায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুড়ছে বাবা মা। সবার একটু সহযোগীতাই পারে ছোট্ট মুসলিমার জীবন বাচাতে। কষ্ট থেকে দুর করতে।
মুসলিমার পরিবার সুত্রে জানা যায়, সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া দক্ষিনপাড়া গ্রামের দিনমজুর ও দরিদ্র মঞ্জু মিয়া ও বীনা দম্পতির ছোট মেয়ে মুসলিমা। যে বয়সে অন্য বাচ্চাদের সাথে দৌড়ানোর কথা, খেলা-ধূলা করার কথা হেসে খেলে চলার কথা অথচ সেই বয়সে বিশাল আকৃতির মাথা নিয়ে বিছানা থেকে উঠতেই পারছে না মুসলিমা। বিশাল আকৃতির মাথা নিয়ে যন্ত্রনায় সারাক্ষণ চিৎকার করছে ছোট্ট এই মেয়েটি। দারিদ্রতার মাঝেও জন্মগত ভাবে অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসা করাতে করাতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন পরিবারটি। এখন চিকিৎসা তো দূরের কথা, পরিবারে চলছে অনাহারে-অর্ধাহারে মানবেতর জীবন যাপন।
স্থানীয় আব্দুস সালাম, সিরাজ আলী, জমেলা বেগম জানান, পরিবারটি খুবই গরিব। মেয়েটার জন্ম থেকেই মাথা অনেক বড়। চলাফেরা করতে পারে না।দাড়াতেও পারে না। টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছে না। এমন অসুস্থ শিশুর চিকিৎসার জন্য সমাজের দানশীল ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে শিশুটি হয়তো বাঁচতে পারবে।
শিশুটির বাবা মঞ্জুর ও মা বীনা বেগম জানান, চার বছর আগে জন্ম নেওয়া মুসলিমার মাথা জন্ম থেকেই অস্বাভাবিক বড়। স্বামী ভ্যান চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালান। মেয়ের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে শেষ করেছি সব সঞ্চয়, এমনকি ধারদেনাও আর পাওয়া যায় না। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অপারেশন ছাড়া মেয়ের জন্য আর কোন চিকিৎসা নেই। অপারেশন ছাড়া সুস্থ হওয়াও সম্ভব না। কিন্তু অপারেশনের জন্য বড় অঙ্কের টাকার জোগার করাও আমাদের পক্ষে সম্ভব না। ডাক্তার বলেছে লাখ টাকা লাগবে অপারেশন করতে। অপারেশন করতে না পারায় আমার ছোট্ট মেয়েটি চোখের সামনে যন্ত্রনায় সারাক্ষন চিৎকার করছে। ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি কিছুই করতে পারছি না অপারেশন করাতে হবে কিন্তু টাকা কোথায় পাব?
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোহছেন উদ্দিন বলেন, আমরা মুসলিমার চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে ৬০ হাজার টাকা তার বাবার হাতে দিয়েছি। তারা চিকিৎসা শুরু করার কথা ছিলো। কিন্তু তারা টাকা নিয়ে যাওয়ার পর আর কোন যোগাযোগ করেনি। বিষয়টি খোজ নিতে আমি ভাটারার চেয়ারম্যানকে অবগত করেছি।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ নাজিম উদ্দীন হাটহাজারী : ৩/১১/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (১৮ই কার্তিক) রোজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ম্যানেজমেন্ট ইনফর...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক, সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ৫ নং খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের পাঁচিল ও...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : টেকনাফ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়ে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক,সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের চন্দ্রকণায় অগ্নিকাণ্ডে ভà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited