শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৪:৪৫ পিএম, ২০২৫-১২-০২
রোকন বিশ্বাস-পাবনাঃ
পাবনার ফরিদপুর উপজেলার দিঘুলিয়া এলাকায় জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শয়নকক্ষে ঢুকে এক যুবককে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত ৮ জুন ২০২৫ ইং তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিট থেকে পরদিন ৯ জুন ভোর ৬টার মধ্যে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। তবে ঘটনার পর হত্যাকারীরা “স্ট্রোক” হয়েছে এমন গুজব ছড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ পরিবার ও এলাকাবাসীর।
অনুসন্ধানে জানা যায়, নিহত যুবক নাফিউল করিম সোয়ান, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী। ঈদের ছুটিতে তিনি বাড়ি এসেছিলেন।
পূর্ববিরোধ ও একাধিকবার হত্যার হুমকি অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ১৪ এপ্রিল ২০২৫ সকাল ৭টায় মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন (৬০) ও তার ছেলে ইসমাইল বাবু (৩৫) বাদীনিকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেয়। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে আসামিরা লাঠিসোটা নিয়ে তেড়ে আসলেও এলাকাবাসী কোনোমতে তাদের থামিয়ে দেয়।
পরে ২৫ এপ্রিল ২০২৫, স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য বসা হলে অভিযুক্তরা পুনরায় বাদী নাসিমা আক্তার ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ।
শয়নকক্ষে ঢুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, ৮ জুন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে রাতের খাবার খেয়ে সোয়ান ঘুমিয়ে পড়লে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামিরা তার ঘরে প্রবেশ করে।
এজাহারের অভিযোগে বলা হয়েছে, ইব্রাহিম হোসেনের নির্দেশে, ইসমাইল বাবু নিহতের ডান হাত,জাহিদুল সবুজ বাম হাত, বাবুর স্ত্রী আলফা খাতুন (৩০) ডান ও বাম পা চেপে ধরে রাখে।
এসময় মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৪৮) সোয়ানের গলায় চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা নিশ্চিত করে তারপর ‘স্ট্রোকের গুজব’ ছড়িয়ে দেয় সুকৌশলে হত্যাকারীরা। ৯ জুন ভোর ৬টায় নাসিমা আক্তার ও তার স্বামী রেজাউল করিম ছেলের ঘরে গিয়ে তাকে অস্বাভাবিক মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। তাদের চিৎকারে লিটন, নয়ন, আয়শা, তন্নি, আসমা, বুলুসহ প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।
এ সময় অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম ও ইসমাইল বাবু বিভিন্নভাবে ময়নাতদন্ত না করতে চাপ সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, জাহিদুল সবুজ নিহত নাফিউল করিম সোহানের ফোন এবং পরিবারের সবার মোবাইল ফোন কৌশলে নিয়ে নেয়, নিহতের ফোন পরে নষ্ট অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, আত্মীয়দের ভুল লোকেশন দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, দ্রুত দাফন সম্পন্ন করার জন্য আসামিরা চাপ প্রয়োগ করে।
পরিবারের অভিযোগ, এটি পরিকল্পিত হত্যা পরবর্তী সময়ে স্বাক্ষীদের মাধ্যমে অভিযোগকারী জানতে পারেন, অভিযুক্তরা যোগসাজশে তার ছেলেকে হত্যা করেছে। এছাড়া পরিবারটিকে হত্যা ও ঘরবাড়ি লুটপাটেরও হুমকি দেওয়া হয় বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এসোর্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালে অনুসন্ধান করে এবং আইসিইউ এর ইনচার্জের সাথে কথা বলে জানা যায়, আইসিইউতে যে চিকিৎসক দায়িত্বে ছিলেন তাকে দেখানো হয় এবং আমিও স্বচক্ষে দেখেছি নিহতের গলার দুই পাশেই ছিল নীল দাগ। শরীরের আরও কয়েক জায়গায়ও ক্ষতের চিহ্ন দেখা গেছে। চোখে রক্ত জমাট বেঁধে দুই পাশ ফোলা ছিল এবং সেগুলোতেও নীলচে দাগ ছিল।
আইসিইউয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আপনারা যদি আরও বিস্তারিত কিছু জানতে চান, তবে অবশ্যই ময়নাতদন্ত করতে হবে।
আইসিইউয়ের ইনচার্জ আরো বলেন, ময়নাতদন্ত করতে নিষেধ করে নিহতের সাথে আসা চাচা ও চাচাতো ভাই। স্টোকের আলামত ভিন্ন রকম হয় এই ধুয়াশা আরো পরিষ্কার হবে পোষ্ট মর্টেম করলে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ নাজিম উদ্দীন হাটহাজারী : ৩/১১/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (১৮ই কার্তিক) রোজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ম্যানেজমেন্ট ইনফর...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক, সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ৫ নং খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের পাঁচিল ও...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : টেকনাফ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়ে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক,সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের চন্দ্রকণায় অগ্নিকাণ্ডে ভà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited