শিরোনাম
চট্টগ্রাম ব্যুরো : | ০৫:২৪ পিএম, ২০২৩-১০-২৮
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুল প্রত্যাশিত প্রায় ৩.৩১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়ে টানেলটি উন্মোচন করার পর বন্দর নগরী চট্রগ্রাম দেশের ঐতিহাসিক যোগাযোগের একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। এই ধরণের টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটিই প্রথম।
প্রধানমন্ত্রী আজ সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে কর্ণফুলীর উত্তর তীরে পতেঙ্গায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের’ ফলক উন্মোচন করেন এবং নগরীর পতেঙ্গাকে আনোয়ারা উপজেলার সঙ্গে সংযোগকারী এই টানেলের ভেতর দিয়ে প্রথম যাত্রা করেন।’
এরপর তিনি টানেল অতিক্রম করেন এবং নদীর দক্ষিণ তীরে আনোয়ারায় তাঁর মোটরযানের জন্য টোল পরিশোধ করেন।
১০,৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সংযোগ সড়কসহ ৯.৩৯ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল সোমবার সকাল ৬টা থেকে যানবাহনের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
দেশের দু’টি অঞ্চলকে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে পদ্মা সেতুর পর সড়ক পরিবহন খাতে টানেলটি দ্বিতীয় ‘স্বপ্নের প্রকল্প’। চীনের সাংহাইয়ের মতো ‘দুই শহর এক নগরী’ মডেল অনুসরণ করে টানেলটি তৈরি করা হয়েছে।
এটি প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়েকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাথে ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব কমিয়ে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী দিনের খাম এবং প্রথম নদীর তলদেশে সড়ক টানেলের উদ্বোধন উপলক্ষে একটি বিশেষ সীলমোহরও ব্যবহার করেন।
কর্মকর্তাদের মতে, প্রতিদিন ১,৭০০টিরও বেশি যানবাহন টানেলটি ব্যবহার করতে সক্ষম হবে যা বছরে প্রায় ৭৬ লক্ষ যানবাহনের সমান। টানেলটি দেশের বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ০.১৬৬ শতাংশ বাড়াতে সাহায্য করবে।
বাসস’র সাথে আলাপকালে, মেগা প্রকল্পের পরিচালক মো.হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, টানেলটি বাংলাদেশকে বিশ্বে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে আশা করা হচ্ছে। কারণ, এটি এই অঞ্চলের প্রথম নদীর তলদেশে সড়ক সুড়ঙ্গ।
এটি চট্টগ্রামকে চীনের সাংহাই শহরের মতো ‘দুটি শহরকে একটি নগরীতে’ পরিণত করবে। এটি অর্থনীতিকে চাঙ্গা এবং শিল্পায়ন, পর্যটন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সড়ক যোগাযোগের বিকাশের জন্য অপার সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করে শহরের পরিধিকে সমগ্র অঞ্চলে প্রসারিত করবে।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানেলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কসহ এর দুই পাশের দু’টি বড় অর্থনৈতিক করিডোরকে সংযুক্ত করে চট্টগ্রামকে লজিস্টিক হাবে পরিণত করতে একটি গেম চেঞ্জার হবে।
ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, বাংলাদেশ নদীর তলদেশে সড়ক সুড়ঙ্গের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। যা অবশ্যই সমগ্র জাতির জন্য গর্বের পাশাপাশি ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে ব্যাপকভাবে সুবিধা দেবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে স্...বিস্তারিত
শফকত সাদিয়া আহমেদ : মালয়েশিয়ায় বন্ধ থাকা শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের ফলে তৈরি পোশাকের রপ্তানি আয় এবং নতুন কাজের আদেশ কমে যাওয়ায় এর নেতিবাচ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধী শনাক্তকরণ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্য গোপনের অভিযোগে এক আইনজীবীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করাকে কেন্দ্র করে শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited