শিরোনাম
সাজেদা হক : | ০৩:৪১ পিএম, ২০২৪-০৫-০৮
সাধারণ গ্রাহকদের স্বপ্নকে পুঁজি করে গড়ে ওঠা আর্থিক পরিসেবা প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’-এর বিরুদ্ধে দফায় দফায় উঠেছে আর্থিক অনিয়মের নানান অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে এর মালিকানা নিয়েও। ‘নগদে’র জন্ম ইতিহাস থাকছে আজকের প্রতিবেদনে। নগদের ইতিহাস, বর্তমান বাস্তবতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সাজেদা হকের সাত পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকছে চতুর্থ পর্ব।
‘নগদ’ প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকেই আলোচনার টেবিলে ঘুরতে থাকে কয়েকটি প্রশ্ন- কে মালিক এই ‘নগদ’র? কার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এই ‘নগদ’। পরে জানা যায় যে, আশরাফুল আলম খোকন থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেড (টিডব্লিউটিএল) এর পরিচালক। নাহিম রাজ্জাক এমপি ও রাজি মোহাম্মদ ফখরুল এমপিও ‘নগদ’র শেয়ারধারী। নগদের শেয়ারধারী রেজওয়ানা নুরও।
মূলত ২০১৬ সালের নভেম্বরে গঠিত হয় টিডব্লিউটিএল (নিবন্ধন নম্বর: সি-১৩৪০২৭)। শুরুতে এই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডার ছিলেন ৫ জন, যাদের মোট শেয়ার ছিল ১০ হাজার। এদের মধ্যে দুই প্রধান শেয়ারহোল্ডার ছিলেন কাজি মনিরুল কবির (৩০০০ শেয়ার) ও তানভির আহমেদ মিশুক (২৩৫০ শেয়ার)। কিন্তু ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই টিডিব্লিউটিএলের মালিকানায় বড় ধরণের পরিবর্তন আসে। তখন কাজি মনিরুল কবিরের সমস্ত শেয়ার তানভির আহমেদ মিশুক ও নতুন তিন শেয়ারধারী নাহিম রাজ্জাক (১২০০ শেয়ার), রাজি মোহাম্মদ ফখরুল (১২০০ শেয়ার) ও রেজওয়ানা নুরের (৫০০ শেয়ার) মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।
রাজি মোহাম্মদ ফখরুল এমপিকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এটি তানভির আহমেদ মিশুকের কোম্পানি। ২০১৭ সালের এপ্রিলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং টিডব্লিউটিএলের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নাহিম রাজ্জাক এমপি ও রাজি মোহাম্মদ ফখরুল এমপি ছিলেন ‘বিশেষ অতিথি’। ওইদিনই ডাক বিভাগের পক্ষে পোস্টাল ক্যাশ কার্ডের বাজারজাতকরণের চুক্তি পায় কোম্পানিটি।
পরে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের (আরজেএসসি) জানায়, থার্ড ওয়েভ টেকনোলজির অর্থাৎ নগদের মালিকানায় যুক্ত হয়েছেন নতুন অনেকে, ছেড়েও দিয়েছেন কেউ কেউ। ২০২১ সালে নগদের পরিচালক ছিলেন ৯ জন, যারা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে নিবন্ধিত বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধি। এর মধ্যে যুক্তরাজ্য, কানাডা ও সিঙ্গাপুরের ছিলেন ১ জন করে নাগরিক। অন্য ৬ জন বাংলাদেশি।
নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর আহমেদ নিজের নামে থাকা সব শেয়ার টেলিকম এশিয়া হোল্ডিং ও অন্য পরিচালক শাফায়েত আলমের কাছে ২০২১ এর ফেব্রুয়ারিতে হস্তান্তর করেন।ওই বছরের ১ জুলাই থেকে টেলিকম এশিয়া হোল্ডিংয়ের মনোনীত পরিচালক হিসেবে এমডি পদে ছিলেন শাফায়াত আলম। একই দিন থেকে ফিনক্লুশন ভেঞ্চারের প্রতিনিধি হিসেবে নগদের পরিচালক হিসেবে যুক্ত হন প্রাইম ব্যাংকের সাবেক এমডি রাহেল আহমেদ। তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারও (সিইও) দায়িত্ব পালন করেন।ফিনটেক হোল্ডিংয়ের প্রতিনিধি হিসেবে নগদের পরিচালক হয়েছেন রেজাউল হোসেন। মারুফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আমিনুল হক নগদের পরিচালক হিসেবে আছেন টেলিকম এশিয়া হোল্ডিংয়ের মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে। সিঙ্গাপুরের কোম্পানি নিবন্ধনের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ফিনক্লুশন ভেঞ্চার ও টেলিকম এশিয়া একই গ্রুপভুক্ত প্রতিষ্ঠান। এর বাইরে নগদে ফিনক্লুশন ভেঞ্চারের পক্ষে সিঙ্গাপুরের নাগরিক ফয়সাল আহসান চৌধুরী ও স্টালওয়ার্টে লিমিটেডের পক্ষে কানাডার নাগরিক তামজিদ রহমান পরিচালক। আর মিয়ার্স হোল্ডিংয়ের পক্ষে পরিচালক হন ব্রিটিশ নাগরিক গিলস এলাস্টার জেমস ফার্লে, যাঁর কার্যালয় ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জে। তবে এখন নগদে কর্মীদেরও শেয়ার আছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে স্...বিস্তারিত
শফকত সাদিয়া আহমেদ : মালয়েশিয়ায় বন্ধ থাকা শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের ফলে তৈরি পোশাকের রপ্তানি আয় এবং নতুন কাজের আদেশ কমে যাওয়ায় এর নেতিবাচ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধী শনাক্তকরণ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্য গোপনের অভিযোগে এক আইনজীবীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করাকে কেন্দ্র করে শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited