শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : | ১২:৪৩ পিএম, ২০২৬-০১-১৯
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ব্রুকহেভেনে একটি গ্যাস স্টেশন থেকে প্রায় ২৫ হাজার মার্কিন ডলার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে। ব্রুকহেভেন পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শহরের ৩৩৯০ বাফোর্ড হাইওয়ে এলাকায় অবস্থিত সিআইটিজিও (CITGO) গ্যাস স্টেশন ও কনভেনিয়েন্স স্টোরে এই চুরির ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি রাত ১১টার পর থেকে ৮ জানুয়ারি রাত ১০টা ৬ মিনিটের মধ্যে যেকোনো এক সময় এ চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে ৮ জানুয়ারি রাত ১০টা ৬ মিনিটে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানায়, চুরির সময় কোনো অস্ত্র বা বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়নি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হিসেবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিআইটিজিও-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে গ্যাস স্টেশনটির ম্যানেজার ও কর্মচারী আহমেদ মাসুম পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ক্যাশ থেকে মোট ২৫ হাজার মার্কিন ডলার চুরি হয়েছে। পুলিশের তদন্তে শেখ আলমগীর হাসান নামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি ব্রুকহেভেন এলাকার ১৫৭৬ ফল্কস্টোন রোডে বসবাস করেন। পুলিশের নথি অনুযায়ী, তিনি একজন পুরুষ; উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি, ওজন আনুমানিক ১৫০ পাউন্ড, চুল কালো এবং চোখের রঙ বাদামি। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ব্রুকহেভেন শহরের বাফোর্ড হাইওয়েতে অবস্থিত সিআইটিজিও গ্যাস স্টেশন ও কনভেনিয়েন্স স্টোরের মালিক শাহান রাহিম অভিযোগ করেছেন, তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শেখ আলমগীর হাসান এই চুরির সঙ্গে জড়িত। দেওয়া এক বক্তব্যে শাহান রাহিম বলেন, শেখ আলমগীর হাসান তার কর্মচারী ছিলেন। নিউইয়র্ক থেকে নিজ উদ্যোগে তাকে জর্জিয়ায় নিয়ে এসে চাকরি দেন তিনি। রাহিমের দাবি, আলমগীর একজন অবৈধ নাগরিক। তিনি বলেন, আলমগীরের বড় ভাই শেখ শফিকের সঙ্গে তার প্রায় ৩০ বছরের পরিচয় রয়েছে। সেই পরিচয়ের সূত্রে শফিকের অনুরোধে আলমগীরকে তিনি তার প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেন। রাহিম অভিযোগ করে বলেন, সে আমার বিশ্বাসের অপব্যবহার করেছে এবং আমাকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে। তিনি আরও দাবি করেন, এই চুরির ঘটনায় আলমগীর একা নয়, আরও দুই থেকে তিনজন জড়িত থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার ডলারের কথা বলা হলেও প্রকৃত চুরির অঙ্ক আরও বেশি বলে তিনি দাবি করেন। রাহিমের ভাষ্য অনুযায়ী, টাকা নেওয়ার সময় আলমগীর হাসান ফোনে নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিল। তখন তাকে বলতে শোনা যায়, ‘ভাইসাব, সব কাম শেষ। সব নিয়া নিছি।’ এদিকে, রোববার (১৮ জানুয়ারি) আলমগীর হাসান তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেকে ব্যবসায়িক অংশীদার দাবি করেছেন বলেও অভিযোগ করেন শাহান রাহিম। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি সে আমার ব্যবসায়িক পার্টনার হয়ে থাকে, তাহলে রাত তিনটার দিকে দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করার প্রয়োজন কেন? আর টাকা নেওয়ার বিষয়টি যদি স্বাভাবিক হতো, তাহলে দিনের বেলাতেই আলোচনার মাধ্যমে নেওয়া যেত। শাহান রাহিম বলেন, আমি চাই সত্য উদঘাটিত হোক। কে বা কারা আমার ডলার চুরি করেছে, তা সবাই জানুক। চুরির সঙ্গে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন হোক।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে জয় অর্জন করেছেন অন্তত সাতজন মুসলিম à...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা তার ওপর বিরক্ত হয়ে পড়লে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা বলেছেন মারà...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনà...বিস্তারিত
মিলন লস্কর, শিলচর (ভারত) : : মিলন উদ্দিন লস্কর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি রাজ্য মেঘালয়। নামের অর্থ মেঘের আবাসভূমিà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কলকাতা প্রতিনিধি : কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ঘটনার পর পুরো এলাকা এখনো থমথমে। চিকà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে জাপানের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited