শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৫:৩১ পিএম, ২০২৬-০৫-১২
এডভোকেট মোস্তফা নূর :
১। দুর্নীতি:
দুর্বল, গরীব, বাস্তুহারা অসহায় মানুষ যারা খাস-জমিতে বসবাস করে ফুটপাতে ব্যবসা করে এবং গ্রাম-গঞ্জের অতি দরিদ্র ভিত-সন্ত্রস্ত্র মানুষ, ভিন্ন ধর্মের মানুষ, দুর্বল কমিউনিটির লোকজন যাদেরকে সম্ভাব্য পরবর্তীর সরকারীদলের অনুকম্পায় বাঁচতে হবে বিশেষ করে অতিদুর্বল জেলে ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হতে (দুর্বল সম্প্রদায়ের নেতাদের মাধ্যমে তাদেরকে নগদ টাকা ও হুমকিতে রেখে কন্ট্রোল করে) বিএনপি পক্ষে তাদের ভোট নিশ্চিত করেছে, যা আমরা ভোটকেন্দ্র গুলোতে তাদের/বিএনপি র নেতাদের সাথে উক্ত সকল দুর্বল, অতিদুর্বল সম্প্রদায়ের লোকজনের আচরণে এবং তাদের সাথে বিএনপি নেতাদের আচরণে প্রত্যক্ষ করেছি। এছাড়াও বিএনপি পলাতক আওয়ামীলীগসহ তাদের সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীদেরকে সাথে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে বিএনপির পক্ষে ভোট নিশ্চিত করেছে।
রিগিং বা কারচুপিতে তিনস্তরের লোকজন জড়িত। যথাক্রমে: (১) জেলায়- রিটার্নিং অফিসার (ডিসি), (২) উপজেলায়- সহকারী রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও/এসিল্ল্যান্ড),(৩) ভোটকেন্দ্রে- প্রিসাইডিং অফিসার এবং সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারগণ কাজ করেন। প্রিসাইডিং অফিসার ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করেন। তিনি পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতি যাচাই, ভোটগ্রহণ শুরু ও শেষ করা, ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ভোটারদের পরিচয় যাচাই নিশ্চিত করা এবং ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণার দায়িত্ব পালন করেন।
(২) ভোটকেন্দ্রে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ক):
ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারদের মধ্যে বিএনপি-র পক্ষে সিরিয়াস ভূমিকায় অবর্তীর্ণ হয়েছে। এটা পরিকল্পিত এবং ট্রেনিংপ্রাপ্ত লোকদের দিয়ে ঘটানো হয়। কিছু প্রিসাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে বিএনপি ব্যালটপেপারের মুডিতে ভোটারের সই স্বাক্ষর না নিয়ে ওগুলো পৃথক করে রেখেছে আর কিছু জেনুইন ভোটারের সই স্বাক্ষর না দিয়ে তাদেরকে ব্যালটপেপার দিয়ে ভোট নিয়েছে। এই ধরণের গোঁজামিলের কারণ হলো যাতে পৃথক করে রাখা ব্যালটপেপার গুলোর বিষয়ে প্রশ্ন ওঠলে বলতে পারে ভোটার জট নিরসনে দ্রুতভোট নিতে গিয়ে ভুলক্রমে কিছু ভোটারের সই-স্বাক্ষর সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারগণ নিতে পারেননি, এটা অনিয়ম বা কারচুপি নয় জাষ্ট ভুল। পরে দেখা গেলোে এইধরণের ব্যালটপেপারের সবগুলোতে ধানেরশীষের পক্ষে সিল মেরে দিয়েছে এবং বাক্স খুলে ভোট গোনার সময় কৌশলে ভোট গুলো একত্র করে গুনেছে।
৩। ভোটকেন্দ্রে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (খ):
পূর্বপরিকল্পিত ভাবে বিএনপি-র পক্ষের পুলিং এজেন্টদের নিকট হতে ভোটগননার আগেই রেজাল্টসীটে স্বাক্ষর নিয়ে বুথে একটি পরিবেশ সৃস্টি করে বিএনপির বিরোধী প্রার্থীদের এজেন্টদের নিকট হতেও ভোট গননার আগেই বিভিন্ন কথা বলে রেজাল্টসীটে স্বাক্ষর নিয়ে নিয়েছে এবং পরে সেই রেজালসীট গুলো তারা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইচ্ছে মতো ব্যবহার করে রেজাল্টসীট বানিয়ে নিয়েছে।
৪। ভোটকেন্দ্রে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (গ): পুরো কেন্দ্রের তথা কেন্দ্রের অধিনে থাকা পুলিং বুথ গুলোর রেজাল্ট আটকে রেখে নানান অজুহাতে সময়ক্ষেপন করে কেন্দ্রের অধিন (৬-১০) বুথের এজেন্টদেরকে তাদের মাঝে ক্লান্তি, উৎকণ্ঠা এবং অধৈর্য তৈরী করেন। এই অবস্থায় রেজাল্টসীটে কাটাকাটি করে কিছু কেন্দ্রের রেজাল্টসীট পরিবর্তন করে বিএনপির পক্ষে ভোট বাড়িয়ে দিয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দি জামায়াত জোটের ভোট কমিয়ে দিয়েছে। কেন্দ্রের বিএনপি জোটের প্রাপ্তভোট বাড়ানোর কন্ট্রাকে ভোটার সংখ্যায় কাটাকাটিটা পরিষ্কার। কিন্তু এটা কিভাবে প্রমাণ হিসেবে বলা যাবে! ফলে এই ঘটনার প্রমাণ এই যে, দেখুন প্রত্যেকটি কাটাকাটির পর বিএনপির ভোট বেড়েছে এবং প্রতিদ্বন্দি জামায়াত জোটের ভোট কমেছে।
৫। ভোটকেন্দ্রে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ঘ): ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় ধানেরশীষে সীলমারা অসংখ্য ব্যালটপেপারের ছড়াছড়ি এবং অনুরূপ প্রত্যেকটা ভিডিও স্থানীয় ভাবে ধারণকৃত। এই ধরণের সীলমারা ব্যালটপেপার উদ্ধার হওয়ার পরেও কেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারদের বিরুদ্ধে কিংবা পুলিং অফিসার এবং সহকারী পুলিং অফিসারগণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? কেন পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে বিএনপির বহিরাগতরা দলে দলে (নেতা-কর্মীরা) ভোটকেন্দ্রে এবং পুলিং বুথে প্রবেশ করতে পেরেছে? কেন সেই সকল সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসার কিংবা পুলিং এবং সহকারী পুলিং অফিসারদের (সরকারী কর্মচারীদের) বিরুদ্ধে উপজেলায় দায়িত্ব প্রাপ্ত সহকারী প্রিসাইডিং অফিসাররা কিংবা জেলা প্রিসাইডিং অফিসাররা ব্যবস্থা নিলেন না?
এমতাবস্থায় যতগুলো ভোট কেন্দ্রে এহেন অনিয়ম, রিগিং এবং ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে সবগুলো কেন্দ্রের সাথে সংশ্লিষ্ট (ক) পুলিং অফিসার এবং সহকারী পুলিং অফিসার, (খ) সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারদের বিরুদ্ধে উপজেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং অফিসার কেন ব্যবস্থা নেন নাই সেই জন্যে বুথ, ভোটকেন্দ্রে ঘটা অনিয়ম রিগিং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় উপজেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের বিরুদ্ধে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ডিসি/রিটার্নিং অফিসার আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ডিসি/রিটার্নিং অফিসার এর বিরুদ্ধে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ব্যবস্থা না নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে সহ জামায়াত জোটের পক্ষ হতে মামলা দায়ের করা বঞ্চনীয় মনে করি।
আশাকরি শতাধিক সংসদীয় আসনের যতগুলো ভোট কেন্দ্রে অনিয়ম, রিগিং এবং ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে সবগুলো কেন্দ্রের প্রমাণ দাখিল করে ভোটচোর ইলেকশন কমিশনসহ ভোটচোরদের সকল সহযোগিদের বিরুদ্ধে জামায়াত (১১ দলীয়) জোট মামলা করেছে।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : জাতীয় পরিচয়পত্র একজন নাগরিকের রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের অন্যতম প্রধান দলিল। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর নাগর...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ভাত আমাদের খুব আপন। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় তার উপস্থিতি এত স্বাভাবিক যে, ভাত নিয়ে আলাদা করে ভা...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার রাত গভীর। চারপাশ নিস্তব্ধ। হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। ঘুম ভেঙে দরজা খুললেন মা। ...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট। ঢাকার মাটিতে থেমে গেল কাজী নজরুল ইসলামের জীবনের পথচলা। যে কবি একদিন অন্যায়ের ...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : কোনো কোনো কণ্ঠ শুধু গান গায় না, একটি সময়কে ধারণ করে। আবদুর রহমান বয়াতীর কণ্ঠ ছিল তেমনই—মাটির গন্ধ...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ফল প্রকাশের পর মোবাইলের পর্দায় ভেসে ওঠে কয়েকটি সংখ্যা। কারও জন্য সেই সংখ্যা আনন্দের, কারও জন্য হতা...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited