শিরোনাম
মোঃ তারেকুল ইসলাম | ০৩:৩৩ পিএম, ২০২৬-০৫-২০
আজ নগরীর রেডিসন ব্লু হোটেলে গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপ (জিআরএসপি) চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কর্মকর্তাদের ‘মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা’ কার্যকর করার মাধ্যমে সড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ ও জীবন রক্ষায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণা অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৪৪ শতাংশের বেশি যানবাহন নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে চলাচল করে, যার ফলে প্রতিবছর সড়কে প্রায় একশ প্রাণহানি ঘটে। এই কর্মশালার মাধ্যমে নগরীতে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের গতিসীমা নির্দেশিকা বাস্তবায়নের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়।
ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটির (বিআইজিআরএস) অংশ হিসেবে জিআরএসপি ২০ ও ২১ মে এই কর্মশালার আয়োজন করে। বুধবার প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বিদ্যমান ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি চালকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সড়কে যাত্রাপথে সময় বাঁচানোর চেয়ে জীবন বাঁচানোর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে; তাই অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো এড়িয়ে চলতে হবে। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) জনাব ফেরদৌস আলী চৌধুরী।
জিআরএসপি’র এশিয়া প্যাসিফিক সিনিয়র রোড পুলিশিং অ্যাডভাইজর জনাব পিটার জোনস প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন। সেশনগুলোতে রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে গতিসীমা বাস্তবায়নে পুলিশের ভূমিকা, প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় অতিরিক্ত গতির প্রভাব, প্রযুক্তি ও কৌশল, এবং সড়কের পাশের চেকপোস্ট নিরাপদভাবে পরিচালনার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা ২০২৪ অনুযায়ী, মহাসড়কে ৮০ কিলোমিটার, শহরে ৫০ কিলোমিটার এবং স্কুলের আশপাশে ৩০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে যানবাহন চালালে পুলিশ সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দিতে পারবে। এরপরও ‘রোড সেফটি রিস্ক ফ্যাক্টরস ইন চট্টগ্রাম: স্ট্যাটাস সামারি রিপোর্ট ২০২৪’ অনুযায়ী ৪৪ শতাংশ যানবাহন গতিসীমা অতিক্রম করছে। জনস হপকিন্স ইন্টারন্যাশনাল ইনজুরি রিসার্চ ইউনিট এবং সিআইপিআরবি প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে গতিসীমা লঙ্ঘনের হার সবচেয়ে বেশি, ৭০ শতাংশ মোটরসাইকেল অতিরিক্ত গতিতে চলতে দেখা গেছে।
জনাব জোনস বলেন, “সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ‘সেইফ সিস্টেম’ পদ্ধতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মোটরযানের গতিনিয়ন্ত্রণ। বিআইজিআরএস কর্মসূচির সহায়তায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে কাজ করার সুযোগকে আমি অত্যন্ত মূল্যবান মনে করি। আমরা সবাই মিলে চট্টগ্রাম নগরীতে রোড ক্র্যাশে হতাহত কমানোর অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।”
এই কর্মশালায় ট্রাফিক সার্জেন্ট, সাব-ইন্সপেক্টর, পুলিশ পরিদর্শক, সহকারী পুলিশ কমিশনার এবং অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারসহ মোট ৭২ জন পুলিশ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বিআরটিএ’র চারজন পরিদর্শকও কর্মশালায় অংশ নেন। কর্মশালা শেষে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জনাব ওয়াহিদুল হক চৌধুরী অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : অভিজ্ঞ ব্যাংকার মিজ মেহের সুলতানা পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনের (বিএ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট। সারা ভারত যখন স্বাধীনতার আনন্দে মেতে উঠেছে, তখন মুর্শিদাবাদের মানুষের কাছে স...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক :: : ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে অস্থিরতা কোনোভাবেই কমছে না। গত রোববার আবারও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যাল...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দুই মাস দায়িত্ব পালনের পর এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচিত স...বিস্তারিত
চট্টগ্রাম ব্যুরো : : চট্টগ্রাম নগরের ফয়’স লেক চিড়িয়াখানার প্রবেশমুখে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে মোহাম্মদ রিপন ও...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited