শিরোনাম
শফকত সাদিয়া আহমেদ | ০৩:৪৯ পিএম, ২০২৬-০৬-১৭
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) উপাচার্যের বক্তব্য বিকৃত ও বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ এনে ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী এবং কালের কণ্ঠের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো. মিরাজুল ইসলামকে নোটিশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
নোটিশে তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংবাদের তথ্যসূত্র, সংশ্লিষ্ট অডিও-ভিডিও রেকর্ড এবং লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১০ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত স্বাক্ষরিত এ চিঠি পাঠানো হয়; যা রোববার (১৪ জুন) কালের কণ্ঠের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধির হাতে পৌঁছায়।
অফিস আদেশে বলা হয়, গত ৯ জুন দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে খুবিতে বৃক্ষরোপণ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদে উপাচার্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। এখানে প্রচুর দর্শক আসে। যেহেতু খুলনায় তেমন বিনোদন কেন্দ্র নেই। এ বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি।’
প্রশাসনের দাবি, প্রকাশিত সংবাদে উপাচার্যের বক্তব্য যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি এবং বিষয়টির সারবস্তু বিকৃত করা হয়েছে।এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ও প্রমাণাদি দাখিলে ব্যর্থ হলে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কালের কণ্ঠের খুবি প্রতিনিধি মিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি পেশাগত দায়িত্ব থেকে বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশ করেছি এবং এর পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে সংবাদ প্রকাশের জেরে সরাসরি আমাকে আমার তথ্যসূত্র বা অডিও রেকর্ড তলব করে ডিসিপ্লিনে নোটিশ পাঠানো স্বাধীন সাংবাদিকতায় হস্তক্ষেপ ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার। প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে কোনো আপত্তি থাকলে তা আমার কর্মস্থল বা পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো যেতে পারে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে ডিসিপ্লিনে চিঠি পাঠিয়ে আমার শিক্ষাজীবনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা অন্যায়। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত বলেন, আমরা মনে করছি নিউজটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, এজন্য আমরা দৈনিক কালের কণ্ঠ বরাবরও চিঠি পাঠিয়েছি।
সাংবাদিকতার রীতিনীতি অনুযায়ী কোনো সাংবাদিক তার সোর্স বা অডিও রেকর্ড প্রশাসনের কাছে জমা দিতে বাধ্য নন। শিক্ষার্থী সত্তাকে জিম্মি করে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির এ অপপ্রয়াস অবিলম্বে প্রশাসনের এই চিঠির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (খুবিসাস)।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নতুন এক দেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্ত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : Bangladesh Society for the Enforcement of Human Rights (BSEHR)-এর চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক নির্বাচন গত ৬ নভেম্বর, শুক্রà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর এবং জানুয়ারি মাসে বর্ধিত বেতন দেওয়ার বà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও তরুণ প্রজন্মের রাষ্ট্র মেরামতের আকাঙ্ক্ষà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মুগদা থানার সাইফুল হত্যা মামলায় তথ্য গোপন করে নিম্ন আদালতের একই আদেশের বিপরীতে তিনবার à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited