শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:১৪ পিএম, ২০২৬-০৯-২২
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও আপাতত ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তবে নৌযানের ভাড়া নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সড়ক পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
শেখ রবিউল আলম বলেন, গতবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পরও ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হয়নি।
এবারও এখন পর্যন্ত ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর চিন্তা নেই। তবে আগামী পরশুদিন এ বিষয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে।
সেখানে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
লঞ্চের ভাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি ওই বৈঠকে বিবেচনায় আসবে।
নৌযান মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে তাদের খরচ কতটা বেড়েছে এবং কতটা সমন্বয় করা সম্ভব, তা দেখা হবে।
পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পরিবহন খাতের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক জড়িত। তাদের স্বার্থও বিবেচনায় নিতে হবে। একইসঙ্গে যাত্রীদের ওপর যাতে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে, সেটিও দেখতে হবে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত, তারাও জনগণের অংশ। তাদেরও যৌক্তিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দিতে হবে। আবার জনগণকেও যৌক্তিক ভাড়া দিতে হবে। আমাদের কাজ হলো দুই পক্ষের বিষয়টি বিবেচনা করে যৌক্তিক পর্যায়ে ভাড়া নির্ধারণ করা।’
তিনি আরও বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন খাতের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে সেই প্রভাব কীভাবে যৌক্তিকভাবে ভাগ করে নেওয়া যায়, সেটি পর্যালোচনা করা হবে।
ট্রেনের লোকসানের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, রেলওয়েতে লোকসান রয়েছে। তবে গতবার ভাড়া না বাড়িয়েও লোকসান ২২৫ কোটি টাকা কমানো সম্ভব হয়েছিল। এবার জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে রেলের ওপর প্রকৃত প্রভাব কতটা পড়েছে, তা আগামী পরশুর বৈঠকে বিস্তারিত জানা যাবে। আমার শতভাগ চেষ্টা থাকবে, যাতে ট্রেনের ভাড়া বাড়াতে না হয়।
পণ্য পরিবহনের ভাড়া সরকার নির্ধারণ করে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, বিভিন্ন ধরনের পরিবহনের ভাড়া নির্ধারণের প্রক্রিয়া রয়েছে। তবে বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে দর-কষাকষির মাধ্যমে ভাড়া ঠিক করার একটি প্রচলন রয়েছে।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বাসাবাড়ির মালামাল এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিতে পিকআপ ভাড়া করার ক্ষেত্রে অনেক সময় নির্দিষ্ট ভাড়া কার্যকর থাকে না। মালিক ও গ্রাহকের মধ্যে দর-কষাকষির মাধ্যমে ভাড়া ঠিক হয়। তবে ট্রাকের ভাড়াও নির্ধারিত আছে, যদিও সবসময় তা মানা হয় না।
মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পরিবহন খাতে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি পর্যালোচনা করে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নতুন এক দেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্ত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : Bangladesh Society for the Enforcement of Human Rights (BSEHR)-এর চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক নির্বাচন গত ৬ নভেম্বর, শুক্রà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর এবং জানুয়ারি মাসে বর্ধিত বেতন দেওয়ার বà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও তরুণ প্রজন্মের রাষ্ট্র মেরামতের আকাঙ্ক্ষà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মুগদা থানার সাইফুল হত্যা মামলায় তথ্য গোপন করে নিম্ন আদালতের একই আদেশের বিপরীতে তিনবার à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited