শিরোনাম
আমাদের বাংলা : | ০৭:৩৮ পিএম, ২০২৬-০৯-২২
উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। সকালে চুয়েটের প্রধান ফটকে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে মূল ফটকে তালা দিয়ে সেখানে অবস্থান নেন তারা। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে আগের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদ জানান শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবনের সামনে মানববন্ধন করেন চুয়েটের শিক্ষকরা। এ সময় তারা অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানান এবং বিভিন্ন বক্তব্য দেন। চুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রাশেদুল হাসান বলেন, ‘এক মাস ২২ দিনে আমরা দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখেছি। কাজের মধ্যে গতি ও প্রাণচাঞ্চল্য এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন জীবন ফিরে এসেছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্রেও অগ্রগতি হয়েছে। মাত্র এক মাস ২২ দিনের মধ্যে তাকে কেন সরিয়ে দেওয়া হলো, এর সুস্পষ্ট ও যৌক্তিক কারণ আমরা জানতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘নতুন উপাচার্য চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী। তার প্রতি আমাদের সম্মান রয়েছে। তবে আমরা অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহাল চাই, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন অব্যাহত থাকে। যৌক্তিক ব্যাখ্যা না দেওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের অবস্থানে থাকব।’ চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. বশির জিসান বলেন, ‘একজন উপাচার্যকে পদে রাখার দাবিতে আন্দোলন-এমন ঘটনা বিরল। কিন্তু এখানে শিক্ষার্থীরা তা করছে, কারণ তিনি শিক্ষার্থীদের একটি ভিশন দিয়েছেন। সরকার যাচাই-বাছাই করে তাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। তাহলে আবার কেন তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো?’
তিনি আরও বলেন, ‘এতে শিক্ষক সমাজ ও চুয়েটকে হেয় করা হয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তার পুনর্বহাল চান। নতুন নিয়োগের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করতে হবে। তা না হলে নতুন যিনি এসেছেন, তাকেও যেন কোনোভাবে অপমানিত হতে না হয়। পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে।’ মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে সংহতি জানান। যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হাসান বলেন, ‘আমাদের উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে কোনো কারণ ছাড়াই সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে গতকাল রাত থেকেই আমাদের কর্মসূচি চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা ক্যাম্পাস অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। সায়েম স্যার চুয়েট ও শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক। আমরা তার পুনর্বহাল চাই।’ সোমবার রাতে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার রাতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভ শেষে উপাচার্যের বাসভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। পরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা।
আমাদের বাংলা : : যশোর ব্যুরো যশোরে পৃথক দুর্ঘটনায় এক ইন্টারনেটকর্মী ও এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : যশোর ব্যুরো যশোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি মিনি কাভার্ডভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : যশোর ব্যুরো অত্যন্ত আনন্দ ও উদ্দীপনাময় পরিবেশের মধ্য দিয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স...বিস্তারিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ ছলিম উল্লাহ :গফরগাঁও ময়মনসিংহ দেশের সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি স্বাস্থ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক, গফরগাঁও (ময়মনসিংহ): ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রৌহা গ্রামে অবস্থিত ডাক্তার খোক...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited