শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৪:১৭ পিএম, ২০২৬-১০-০৮
এম.কামাল উদ্দিন মাষ্টার
ঐতিহ্যবাহী কাট্টলী যুগে যুগে জন্ম দিয়েছে শিক্ষা সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে দেশ তথা বিশ্বে নেতৃত্বদানকারী কৃতি সন্তানদের যাদের মধ্যে প্রয়াত সাবেক যুক্তফ্রন্টের গণপূর্ত, মাইনরিটি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী নুরুল হক চৌধুরী, সাবেক গন পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব আলিম উল্লা চৌধুরী, সাবেক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী মাহামুদুন্নবী চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী জহুর আহাম্মদ চৌধুরী,সাবেক গন পরিষদ সদস্য কবির মিয়া চৌধুরী, নজির আহাম্মদ চৌধুরী,জয়নাল আবেদিন চৌধুরী, নুরুদ্দীন চৌধুরী,স্যার মোহাম্মদ জামান হেড মাষ্টার, বর্তমান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী,সাবেক ডেপুটি মেয়র আলহাজ্ব আবু নাছের চৌধুরী, সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এম মনজুরুল আলম,সাবেক সিটি প্রশাসক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন,সাবেক ভিসি ডঃ ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, ডাঃ শাহানা চৌধুরী, প্রিন্সিপাল এম. শহিদুল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম.সেলিম উল্লা,নুরুদ্দীন চৌধুরী,শাহাবুদ্দিন চৌধুরী,জসিম উদ্দিন চৌধুরী,দ্বীন ও মারফতে মৌলানা তমিজুর রহমান, মৌলানা আমানত শাহ। এই এলাকায় সূদুর আরব দেশ থেকে আগত সূফী সাধক হযরত শাহছুফী মঈনুদ্দিন শাহ (রঃ), হযরত আলী চাঁদ শাহ(রঃ),গাজী আব্দুল্লা শাহ(রঃ) এদের চরণ ও ছোঁয়ায় কাট্টলী আজ ধণ্য ও আপন মহিমায় চির ভাস্কর। তারই ধারাবাহিকতায় কাট্টলী'র ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আরেক অংশীজন শহিদুল ইসলাম চৌধুরী দুল দুল। তিনি কাট্টলী'র চৌধুরী বাড়ী নিবাসী সম্ভ্রান্ত পরিবার এম.আনোয়ারুল আজিম চৌধুরী'র তিন সন্তানের মধ্যে কনিষ্ঠ সন্তান জন্ম ১৯৬২ সালে। তিনি কাট্টলী জয়তারা প্রাইমারী কাট্টলী নুরুল হক চৌধুরী হাই স্কুল ও চট্টগ্রাম সিটি কলেজে লেখাপড়া করেন। শৈশব থেকে তিনি পারিবারিক অঙ্গনের সাহচর্যে
সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও যুব সংগঠনের দীক্ষা লাভ করেন। ভাইদের মধ্যে বড়ভাই প্রয়াত এড.আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী সাবেক যুব ক্রীড়া অধিদপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা কাট্টলীর সাধারন পাঠাগারের সভাপতি মেঝ ভাই ইন্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম চৌধুরীও চট্টগ্রাম বেতার এর ১ম শ্রেণির তবলাবাদক ছিলেন। সংগঠক ও সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে তাদের পরিবার কাট্টলীর অগ্র গন্য হিসেবে সুপরিচিত ত্ বটেই। কৈশোর জীবনে মায়ের কাছে পড়া বেগম ম্যাগাজিনের গল্প ও জীবন রচনা তাকে নিবিড় ভাবে আকর্শন করত পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াকালীন ১৯৭১ সনে বেগম পত্রিকায় তার ১ম কবিতা ছাপা হয় এতে তার প্রতিভা গ্রামের সবাই প্রত্যক্ষ্য করে। কবিতাটির পংতি-স্মরনের তরে ডেকোনা আমায়,
ছেড়ে দাও রনক্ষেত্রে শত্রুমাগো।
বীরদর্পে যাব বীরদর্পে ফিরবো,
রক্ত দিয়ে এদেশ মাগো
স্বাধীন করে ছাড়বো! সাংবাদিক হিসেবে ১ম লেখা লেখি শুরু সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতা,গীরি দর্পন, ১ম প্রকাশিত প্রবন্ধ 'প্রকৃতির খেয়াল' দৈনিক আজাদী পত্রিকায় ১৯৭৯ সালে। কাজ করেন দৈনিক আজাদী,নয়া বাংলা,ডেইলি লাইফ, দৈনিক শক্তি, দৈনিক ঘোষনা,দৈনিক দেশের কথা। তিনি একাধারে গায়ক নাট্যকার গীতিকার ও অভিনয় করছেন প্রায় ৫০টির মতো নাটকে তার লিখিত নাটক -তবুও জয়,জবাব চাই,ঘন্টার ঘঠক,প্রেমিকার জননীর ছায়া, দূঃখিনী মা নিজে অভিনয় করেছেন এই নাটকে। তার লিখিত গানের সংখ্যা ৫১টি। চট্টগ্রাম ক্রীড়া সংস্থায় ১ম বিভাগের ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে তিনি এলাকায় যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছিলেন। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কাট্টলী সংসপ্তক ও সুলতান গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সারথী খেলাঘর এর কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি,কাট্টলী উন্নয়ন সমিতির সাবেক চেয়ারম্যান। শ্রেষ্ট যুব সংগঠন হিসেবে দেশে ও বিদেশের আমন্ত্রণে ভারতের চন্ডিগড়, থাইল্যান্ডে দেশ গঠনের নানামূখী প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পদক লাভ করেন যার মধ্যে আনসার ভিডিপি জাতীয় পদক,ইউ.এন.ডি.পি পদক(শ্রেষ্ঠ আত্বকর্ম সংস্থান প্রকল্প) উল্লেখযোগ্য। একান্ত আলাপ চারিতায় তার জীবনবোধ কি জানতে চাইলে তিনি বলেন- 'মানবসেবা' অর্থাৎ মানুষের কৈশোর হল শিখো যুবক সময় শিখো ও উন্নয়ন করো আর বৃদ্ধ সময় ফল লাভ করো এই সূত্রই হল মানুষের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা! যুবকদের উদ্যেশ্যে তিনি বলেন-১৮থেকে ৩৫ বৎসর বয়সী যুবক যে কোন প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজ দেশ তথা বিশ্বকে উন্নয়নের চরম শিখরে নিয়ে যেতে পারে তিনি আরো বলেন-আত্বকর্মে নিয়োজিত গোষ্ঠী কখনো দরিদ্র থাকতে পারে না। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বিষয়ে তিনি বলেন-বিবেক বিবেচনায় মনুষ্যত্য থাকতে হবে, কিশোর ও যুবকদের অবক্ষয় রোধে সাংস্কৃতিক ও বিনোদনকে রাষ্ট্র লালন করতে হবে। আলোক বর্তিকা নিয়ে তিনি এখনো পথ দেখান আগামী প্রজন্মকে যাতে ভবিষ্যতে শৃংখলার সাথে দেশ গঠন করতে পারে। বর্তমানে তিনি সারা বাংলাদেশের প্রশিক্ষিত যুবদের সংগঠন প্রশিক্ষিত যুব সংসদ( প্রযুস) এর চেয়ারম্যান, ভাইস প্রেসিডেন্ট দূর্নীতি দমনে তথ্য প্রকাশকারী সোসাইটি, প্রধান সম্পাদক দৈনিক অপরাধ দমন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক গ্রামীন সংবাদ সংস্থা, চীফ এডিটর ক্রাইম চার্জ ২৪.কম(ইন্টারন্যাশনাল), প্রধান সম্পাদক সাপ্তাহিক পূর্ব বাংলা। বহু প্রতিভার অধিকারী এই সদা হাস্যজ্বল অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তিত্ব আজ সমাজে খুবই বিরল যার মধ্যে নেই কোন জাতী -বিজাতী বেদাবেদ নাই কোন হিংসা বিদ্বেষ! তিনি পরম সহিষ্ণু মানবপ্রেমী সকলের অনুসরণীয় অনুকরণীয় যার আদর্শ নক্ষত্র হয়ে জ্বল জ্বল করে আলো ছড়াচ্ছে ইতিহাস ও ঐতিহ্যবাহী কাট্টলীয়ান হয়ে...।
লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : এড. মোস্তফা নুর : রাজনীতির মৌলিক শিক্ষা যাদের নেই, তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় নিয়োজিত হচ্ছে শুধু গণতানà...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : অন্ধকারেরও একটা সীমা আছে। রাতের অন্ধকার স্বাভাবিক; কিন্তু মানুষের ঘরে যে অন্ধকার নেমে আসে, তার কার...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে দিনভর কনটেইনারের ওঠানামা। বিশাল ক্রেন, ছুটে চলা ট্রাক আর ব্যস্ত বন্দরের...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : জাতীয় পরিচয়পত্র একজন নাগরিকের রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের অন্যতম প্রধান দলিল। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর নাগর...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ভাত আমাদের খুব আপন। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় তার উপস্থিতি এত স্বাভাবিক যে, ভাত নিয়ে আলাদা করে ভা...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার রাত গভীর। চারপাশ নিস্তব্ধ। হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। ঘুম ভেঙে দরজা খুললেন মা। ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited